গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি:
ময়মনসিংহের গৌরীপুরে পুম্বাইল ফজলুল উলুম ফাযিল মাদরাসার সরকারি পাঠ্যবই বিক্রির অভিযোগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ভাইরাল হওয়ার ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে উপজেলা প্রশাসন। কমিটিকে আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
সোমবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফিয়া আমিন পাপ্পা তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, পুম্বাইল ফজলুল উলুম ফাযিল মাদরাসাটি উপজেলার রামগোপালপুর ইউনিয়নে অবস্থিত। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মাদরাসার সরকারি পাঠ্যবই বিক্রির একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, মাদরাসার মাঠে হ্যান্ডট্রলিতে বিপুল পরিমাণ সরকারি পাঠ্যবই বোঝাই করা হচ্ছে। এ সময় কয়েকজন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীকে হ্যান্ডট্রলির সামনে দাঁড়িয়ে থাকতেও দেখা যায়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মাদরাসার অধ্যক্ষ গত বছরের পুরোনো সরকারি পাঠ্যবই বিক্রি করে দিয়েছেন। বইগুলো হ্যান্ডট্রলিতে বোঝাই করার সময় কেউ ভিডিওটি ধারণ করেন। পরে সেটি ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের দাবি, হ্যান্ডট্রলিতে প্রায় ১০ হাজারের মতো বই বোঝাই করে নেওয়া হয়।
তবে বই বিক্রির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পুম্বাইল ফজলুল উলুম ফাযিল মাদরাসার অধ্যক্ষ আব্দুল আলী খান। তিনি বলেন, “বই বিক্রির অভিযোগ সত্য নয়। মাদরাসায় এখনো ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের অব্যবহৃত সরকারি পাঠ্যবই রয়েছে। ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটির দৃশ্য আমাদের মাদরাসার মতো মনে হচ্ছে। তবে এটি আমাদের মাদরাসার বই বিক্রির ভিডিও কি না, সে বিষয়ে আমি নিশ্চিত নই।”
উপজেলা ভারপ্রাপ্ত মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “ভিডিওটি দেখার পর বিষয়টি জানতে চাইলে মাদরাসার অধ্যক্ষ জানিয়েছেন, এ বছর কোনো বই বিক্রি করা হয়নি। সরকারি বই বিক্রির সঠিক নিয়মটি এই মুহূর্তে আমি বলতে পারছি না। যেহেতু বিষয়টি তদন্তে কমিটি গঠন করা হয়েছে, তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে।”
উপজেলা প্রশাসনের গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের পর সরকারি পাঠ্যবই বিক্রির অভিযোগের সত্যতা এবং ভিডিওটির প্রকৃত ঘটনা স্পষ্ট হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
ময়মনসিংহের গৌরীপুরে পুম্বাইল ফজলুল উলুম ফাযিল মাদরাসার সরকারি পাঠ্যবই বিক্রির অভিযোগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ভাইরাল হওয়ার ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে উপজেলা প্রশাসন। কমিটিকে আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
সোমবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফিয়া আমিন পাপ্পা তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, পুম্বাইল ফজলুল উলুম ফাযিল মাদরাসাটি উপজেলার রামগোপালপুর ইউনিয়নে অবস্থিত। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মাদরাসার সরকারি পাঠ্যবই বিক্রির একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, মাদরাসার মাঠে হ্যান্ডট্রলিতে বিপুল পরিমাণ সরকারি পাঠ্যবই বোঝাই করা হচ্ছে। এ সময় কয়েকজন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীকে হ্যান্ডট্রলির সামনে দাঁড়িয়ে থাকতেও দেখা যায়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মাদরাসার অধ্যক্ষ গত বছরের পুরোনো সরকারি পাঠ্যবই বিক্রি করে দিয়েছেন। বইগুলো হ্যান্ডট্রলিতে বোঝাই করার সময় কেউ ভিডিওটি ধারণ করেন। পরে সেটি ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের দাবি, হ্যান্ডট্রলিতে প্রায় ১০ হাজারের মতো বই বোঝাই করে নেওয়া হয়।
তবে বই বিক্রির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পুম্বাইল ফজলুল উলুম ফাযিল মাদরাসার অধ্যক্ষ আব্দুল আলী খান। তিনি বলেন, “বই বিক্রির অভিযোগ সত্য নয়। মাদরাসায় এখনো ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের অব্যবহৃত সরকারি পাঠ্যবই রয়েছে। ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটির দৃশ্য আমাদের মাদরাসার মতো মনে হচ্ছে। তবে এটি আমাদের মাদরাসার বই বিক্রির ভিডিও কি না, সে বিষয়ে আমি নিশ্চিত নই।”
উপজেলা ভারপ্রাপ্ত মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “ভিডিওটি দেখার পর বিষয়টি জানতে চাইলে মাদরাসার অধ্যক্ষ জানিয়েছেন, এ বছর কোনো বই বিক্রি করা হয়নি। সরকারি বই বিক্রির সঠিক নিয়মটি এই মুহূর্তে আমি বলতে পারছি না। যেহেতু বিষয়টি তদন্তে কমিটি গঠন করা হয়েছে, তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে।”
উপজেলা প্রশাসনের গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের পর সরকারি পাঠ্যবই বিক্রির অভিযোগের সত্যতা এবং ভিডিওটির প্রকৃত ঘটনা স্পষ্ট হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।